#একটা_রোমান্টিক_রাইড 


এপ্স সমসসার কারনে সন্ধার একটু আগে ফরাজি হসপিটাল (বনস্রি,রামপুরা)
এর সামনে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বসে আছি কনো রিকুস্ট নাই ।
একটা মেয়ে আসল।
দেখতে মোটামোটি সুন্দরি বলা জায়,মুখে মিষ্টি হাসি,
জিজ্ঞেস করল আমাকে, আপনি কি বাইক ভারায় চালান, ইয়ে মানে পাঠাও এ বাইক চালান?
আমি : হুম,, আপনার কাছে কি এপ্স নাই?
মেয়ে: না নাই, কিন্তু আমি প্রতিদিন এভাবেই জাই।
আমি: ও, কথায় জাবেন আপনি?
মেয়ে : পান্থপথ,, ও আপনি এপ্স এর কথা বলছিলেন, ওটা কি আমাকে দিতে পারবেন?
আমি : হুম পারবনা কেনো,, আপনার ফন এ কি সেয়ারইট আছে?
মেয়ে : হুম আছে।
আমি : অকে, আমি এপ্স টা দিচ্ছি রিসিভ করেন।
এপ্স টা দেওয়া হল। ইনিস্টল দিলো কিন্তু এপ্স কাজ করছিলো না।
মেয়ে : এপ্স ত কাজ করছে না কি করা জায়?
আমি : তাহলে আপনি জত টাকা দিয়ে জান অটাই আমাকে দিয়েন?
মেয়ে : আমি ১২০ দিয়ে গেসিলাম।
আমি : অকে চলেন
( সে এপ্স যদি না নিত তাহলে আমি তারে রাইড দিতাম না, কারন দুরঘটনা যেকনো সময় ঘটতে পারে)
রওনা দিলাম টিপ টিপ বৃষ্টি মাঝে।
রামপুরা ব্রিজ এ উঠব আর ঠিক তখন সেই রকম বৃষ্টি সুরু হল।
আমি : সামনে দারাবো কথাও?
মেয়ে : হুম দারান ভাল জায়গা দেখে।
আমি : অকে, সামনে রেস্টুরেন্ট টা তে দারাই।
দারাইলাম, বাইক সাইড করলাম, মেয়ে টা বাইকে থেকে নেমে রেস্টুরেন্ট এর ভিতর গিয়ে দারালো।
আমি বাইক লক করে ভিতরে গেলাম হেলমেট হাতে নিয়ে।
আমি মেয়েটার থেকে একটু দুরেই দারালাম।
কারন মেয়েদের সাতে কথা বলতে একটু নারভাস ফিল করি।
কিছখন পর আরো অনেক মানুষ আসলো, সবাই ভিতরে জাওয়ার জন্নে তার পাস ঘেসে জাচ্চিল।
তখন সে একটু আন ইজি ফিল করছিল, আমার মনে হলো, তাই আমি তার একটু কাছে গেলাম, তখন সেও একটু আমার দিকে চেপে আসল। তখন বাকি মানুষ গুলা আমার পাসে দিয়ে ঢুকতেছিলো।
দারাইয়া আসি ৬/৭মিনিট তার মাঝে কনো কথা নাই। সে মাঝে মাঝে ওরনা ঠিক করছে মাথায় কাপর দিচ্ছে আর আমার দিকে তাকাছে,
আমি কিছু বলি কিনা, আর মুখে মিষ্টি হাসি টা লেগেই ছিলো। কিছু খন পর ফন এ কথা বলতেছে, সম্ভবত তার বাসা থেকে।
তারপর মনে মনে ভাবলাম এখানে ত আমি ছাড়া তার কেউ নাই তাই কিছু বলি।
তার পর ই আরো জরে বৃষ্টি সুরু হল।
আমি : চলেন ভিতরে গিয়ে বসি? চেয়ার খালি আছে।
মেয়ে : না থাক ।
আরও ৪/৫ মিনিট পার হয়ে গেল মানুষ আরও বেরে গেলো সাথে বৃষ্টি ও।
আবার বললাম চলেন ভিতরে গিয়ে বসি।
এই বার সারাদিল, বল্ল চলেন। গেলাম ভিতরে।
গিয়ে দেখি কনো চেয়ার খালি নাই। এক সাইটে চেয়ার স্টক করা সিলো অখান থেকে দুইটা চেয়ার নিয়ে দুজনে বসলাম, একটু দূরে দূরে।
আসে পাসের মানুষ গুলা কউতুহুলি ভাবে তাকাচ্ছিলো।
তত খন এ রোমান্টিক ভুত আমার উপর ভর করে ফেলছে
তার সেই মিষ্টি হাসিরটার কারনে।
গেলো আরো ৪/৫ মিনিট। মনে মনে ভাবছি এইবার কিছু বলি, কিন্তু কি বলব ভেবে পাচ্ছিলাম না ?
উঠে দারালাম, হেল্মেট টা চেয়ার এ রেখে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, চা না কফি?
সে একটু কাচুমুছু করে সেই হাসিটা দিয়ে বল্ল,, আপনার জেটা ইচ্ছা।
আমি কফি পছন্দ করি তাই কফি আনতে গেলাম।
কফির দাম ৪০+৪০= ৮০ টাকা।
মনে মনে ভাবছি এই প্রথম আমার টাকা বিফলে জাচ্ছে
জাই হউক।
কফি দিলাম, সে কফি হাতে নিয়ে সেই একটা হাসি দিয়ে একটা Thanks দিলো।
আমিও একটু হাসি দিলাম
।
আমি কফি খাইতেছি, সেও খাচ্ছে আর ফন টিপতেছে + মিট মিট করে হাসতেছে, আমার ফন এ চারজ নাই,
বৃষ্টির কারনে চারজ দিতে পারিনাই
।
আমার খাওয়া শেষ। তখন সে তার অরধেক খাওয়া কফি আমার দিকে বারিয়ে দিল
আমি ত পুরাই অবাক।
তখন সে আমাকে ইসারায় বুঝালো তার ফন এ কফি পরছে,
তাই সে কফি টা আমাকে ধরতে বলছে।।
নিলাম কফি এক হাতে, অন্ন হাতে তাকে একটা টিসু দিলাম।
তার পর আর কি তার কফি তাকেই ফেরত দিলাম
।
কফি খাওয়া শেষ হল।
এবার ঝর এর মত বৃষ্টি সুরু হল, সে আরো কাছে চলে এলো চেয়ার টা নিয়ে, উপর থেকে পানি পরতেছিলো তাই।
(বৃষ্টি হচ্ছে সেই রকম)
তার পর অনেক কথা হল,কথার মাঝে মনে হল তাকে পাঠাও এপ্স এর প্রমসন বেপার টা বুঝাই, বুঝাতে গিয়ে ঘটল আসল ঝামেলা
তার ফন টা আমার হাতে নিয়ে তার নিউ পাঠাও এপ্স এ আমার নিজের পাঠাও রেফারেল কোড টা দিতে গিয়ে



তার এপ্স থেকে বের হয়ে জখন তার ওয়ালপেপার দেখলাম তখন ত আকাশ আমার মাথায় ভেং গে পরল, ওয়াল্পেপার এ সে আর তার প্রেমিক বা তার বর এর বুকে মাথা দিয়ে ছবি তুলে রাখছে


।
(কে এটা জিজ্ঞেস করার মত তখন আর মন মানুসিকতা ছিল না)
একটু পর বৃষ্টি কমে গেলো এইবার সে বল্ল চলেন জাই, আমি বললাম অকে চলেন।
বের হলাম সে বাইকে বসল। পান্থপথ কনো ঝামেলা ছারা আসলাম।
সে বাইক থেকে নেমে একটা ১০০ টাকার নোট আর ২ টা ৫০ টাকার নোট দিল। আমি তাকে জোর করলাম বাকি টাকা ফেরত নিতে কিন্তু সে নিলনা।
বল্ল আমার জন্নে ১ ঘন্টা বসে ছিলেন আবার কফি খাওয়াইলেন, তাই এটা আপনি রাখেন,, এটা বলেই বাই টাটা বলে চলে গেলো।


গেলো ত গেলো সেই হাসিটা দিয়ে জাওয়ার কি দরকার ছিলো?
আমিও চলে আসলাম।
Collected from Facebook
এপ্স সমসসার কারনে সন্ধার একটু আগে ফরাজি হসপিটাল (বনস্রি,রামপুরা)
এর সামনে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বসে আছি কনো রিকুস্ট নাই ।
একটা মেয়ে আসল।
দেখতে মোটামোটি সুন্দরি বলা জায়,মুখে মিষ্টি হাসি,
জিজ্ঞেস করল আমাকে, আপনি কি বাইক ভারায় চালান, ইয়ে মানে পাঠাও এ বাইক চালান?
আমি : হুম,, আপনার কাছে কি এপ্স নাই?
মেয়ে: না নাই, কিন্তু আমি প্রতিদিন এভাবেই জাই।
আমি: ও, কথায় জাবেন আপনি?
মেয়ে : পান্থপথ,, ও আপনি এপ্স এর কথা বলছিলেন, ওটা কি আমাকে দিতে পারবেন?
আমি : হুম পারবনা কেনো,, আপনার ফন এ কি সেয়ারইট আছে?
মেয়ে : হুম আছে।
আমি : অকে, আমি এপ্স টা দিচ্ছি রিসিভ করেন।
এপ্স টা দেওয়া হল। ইনিস্টল দিলো কিন্তু এপ্স কাজ করছিলো না।
মেয়ে : এপ্স ত কাজ করছে না কি করা জায়?
আমি : তাহলে আপনি জত টাকা দিয়ে জান অটাই আমাকে দিয়েন?
মেয়ে : আমি ১২০ দিয়ে গেসিলাম।
আমি : অকে চলেন
( সে এপ্স যদি না নিত তাহলে আমি তারে রাইড দিতাম না, কারন দুরঘটনা যেকনো সময় ঘটতে পারে)
রওনা দিলাম টিপ টিপ বৃষ্টি মাঝে।
রামপুরা ব্রিজ এ উঠব আর ঠিক তখন সেই রকম বৃষ্টি সুরু হল।
আমি : সামনে দারাবো কথাও?
মেয়ে : হুম দারান ভাল জায়গা দেখে।
আমি : অকে, সামনে রেস্টুরেন্ট টা তে দারাই।
দারাইলাম, বাইক সাইড করলাম, মেয়ে টা বাইকে থেকে নেমে রেস্টুরেন্ট এর ভিতর গিয়ে দারালো।
আমি বাইক লক করে ভিতরে গেলাম হেলমেট হাতে নিয়ে।
আমি মেয়েটার থেকে একটু দুরেই দারালাম।
কারন মেয়েদের সাতে কথা বলতে একটু নারভাস ফিল করি।
কিছখন পর আরো অনেক মানুষ আসলো, সবাই ভিতরে জাওয়ার জন্নে তার পাস ঘেসে জাচ্চিল।
তখন সে একটু আন ইজি ফিল করছিল, আমার মনে হলো, তাই আমি তার একটু কাছে গেলাম, তখন সেও একটু আমার দিকে চেপে আসল। তখন বাকি মানুষ গুলা আমার পাসে দিয়ে ঢুকতেছিলো।
দারাইয়া আসি ৬/৭মিনিট তার মাঝে কনো কথা নাই। সে মাঝে মাঝে ওরনা ঠিক করছে মাথায় কাপর দিচ্ছে আর আমার দিকে তাকাছে,
আমি কিছু বলি কিনা, আর মুখে মিষ্টি হাসি টা লেগেই ছিলো। কিছু খন পর ফন এ কথা বলতেছে, সম্ভবত তার বাসা থেকে।
তারপর মনে মনে ভাবলাম এখানে ত আমি ছাড়া তার কেউ নাই তাই কিছু বলি।
তার পর ই আরো জরে বৃষ্টি সুরু হল।
আমি : চলেন ভিতরে গিয়ে বসি? চেয়ার খালি আছে।
মেয়ে : না থাক ।
আরও ৪/৫ মিনিট পার হয়ে গেল মানুষ আরও বেরে গেলো সাথে বৃষ্টি ও।
আবার বললাম চলেন ভিতরে গিয়ে বসি।
এই বার সারাদিল, বল্ল চলেন। গেলাম ভিতরে।
গিয়ে দেখি কনো চেয়ার খালি নাই। এক সাইটে চেয়ার স্টক করা সিলো অখান থেকে দুইটা চেয়ার নিয়ে দুজনে বসলাম, একটু দূরে দূরে।
আসে পাসের মানুষ গুলা কউতুহুলি ভাবে তাকাচ্ছিলো।
তত খন এ রোমান্টিক ভুত আমার উপর ভর করে ফেলছে
গেলো আরো ৪/৫ মিনিট। মনে মনে ভাবছি এইবার কিছু বলি, কিন্তু কি বলব ভেবে পাচ্ছিলাম না ?
উঠে দারালাম, হেল্মেট টা চেয়ার এ রেখে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, চা না কফি?
সে একটু কাচুমুছু করে সেই হাসিটা দিয়ে বল্ল,, আপনার জেটা ইচ্ছা।
আমি কফি পছন্দ করি তাই কফি আনতে গেলাম।
কফির দাম ৪০+৪০= ৮০ টাকা।
মনে মনে ভাবছি এই প্রথম আমার টাকা বিফলে জাচ্ছে
জাই হউক।
কফি দিলাম, সে কফি হাতে নিয়ে সেই একটা হাসি দিয়ে একটা Thanks দিলো।
আমিও একটু হাসি দিলাম
আমি কফি খাইতেছি, সেও খাচ্ছে আর ফন টিপতেছে + মিট মিট করে হাসতেছে, আমার ফন এ চারজ নাই,
বৃষ্টির কারনে চারজ দিতে পারিনাই
আমার খাওয়া শেষ। তখন সে তার অরধেক খাওয়া কফি আমার দিকে বারিয়ে দিল
আমি ত পুরাই অবাক।
তখন সে আমাকে ইসারায় বুঝালো তার ফন এ কফি পরছে,
তাই সে কফি টা আমাকে ধরতে বলছে।।
নিলাম কফি এক হাতে, অন্ন হাতে তাকে একটা টিসু দিলাম।
তার পর আর কি তার কফি তাকেই ফেরত দিলাম
কফি খাওয়া শেষ হল।
এবার ঝর এর মত বৃষ্টি সুরু হল, সে আরো কাছে চলে এলো চেয়ার টা নিয়ে, উপর থেকে পানি পরতেছিলো তাই।
(বৃষ্টি হচ্ছে সেই রকম)
তার পর অনেক কথা হল,কথার মাঝে মনে হল তাকে পাঠাও এপ্স এর প্রমসন বেপার টা বুঝাই, বুঝাতে গিয়ে ঘটল আসল ঝামেলা
তার ফন টা আমার হাতে নিয়ে তার নিউ পাঠাও এপ্স এ আমার নিজের পাঠাও রেফারেল কোড টা দিতে গিয়ে
তার এপ্স থেকে বের হয়ে জখন তার ওয়ালপেপার দেখলাম তখন ত আকাশ আমার মাথায় ভেং গে পরল, ওয়াল্পেপার এ সে আর তার প্রেমিক বা তার বর এর বুকে মাথা দিয়ে ছবি তুলে রাখছে
(কে এটা জিজ্ঞেস করার মত তখন আর মন মানুসিকতা ছিল না)
একটু পর বৃষ্টি কমে গেলো এইবার সে বল্ল চলেন জাই, আমি বললাম অকে চলেন।
বের হলাম সে বাইকে বসল। পান্থপথ কনো ঝামেলা ছারা আসলাম।
সে বাইক থেকে নেমে একটা ১০০ টাকার নোট আর ২ টা ৫০ টাকার নোট দিল। আমি তাকে জোর করলাম বাকি টাকা ফেরত নিতে কিন্তু সে নিলনা।
বল্ল আমার জন্নে ১ ঘন্টা বসে ছিলেন আবার কফি খাওয়াইলেন, তাই এটা আপনি রাখেন,, এটা বলেই বাই টাটা বলে চলে গেলো।
গেলো ত গেলো সেই হাসিটা দিয়ে জাওয়ার কি দরকার ছিলো?
আমিও চলে আসলাম।
Collected from Facebook

No comments:
Post a Comment