আমাদের দেশের উর্বর জমি ও অনুকূল আবহাওয়াকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে সক্ষম
হয়েছেন নাটোর শহরের ফুলবাগান এলাকায় দেশের বিশিষ্ট ফল গবেষক এস এম
কামরুজ্জামান। শুধু উৎপাদনই নয়, প্রতিকূলতাকে জয় করে কুল ও স্ট্রবেরিসহ
বিভিন্ন ফলের পরিচিত বিপণন কাজেও ভূমিকা রেখেছে এই উদ্যান।
ফল চাষে
বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে সারা বিশ্বে একর প্রতি ফলের ফলন বৃদ্ধিতে
বাংলাদেশ প্রথম স্থানে অবস্থান করছে। নতুন নতুন ফল উদ্ভাবন ও বাজারজাত করতে
পারলে দেশের মানুষের রকমারি স্বাদের সাথে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি পুষ্টি ও
বিভিন্ন খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে রোগ মুক্ত জীবনের অধিকারী হতে পারবেন বলে
সচেতন মানুষ মনে করছেন। তারা মনে করেন, এস এম কামরুজ্জামানের মেধাকে কাজে
লাগাতে পারলে দেশ উপকৃত হবে।
এস এম কামরুজ্জামান বলেন, ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও বৈচিত্রময়। সরকারি পর্যায়ে দেশের সমতল, পাহাড়ি এবং উপকূলীয় এলাকায় পৃথক পৃথক ফল উৎপাদনের সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া হলে বাংলাদেশ খুব সহজেই ফল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ স্থান দখল করতে সক্ষম হবে।
উদ্যান উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণকারী কৃষিবিদ এস এম কামরুজ্জামান নাটোর শহরের ফুলবাগান এলাকায় দুই একর জমির ওপর গড়ে তুলেছেন মডার্ন হর্টিকালচার সেন্টার। তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যান তত্ত্ববিদ ও কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরির অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এস এম কামরুজ্জামান ফুল, ফল ও শস্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন।
বর্তমানে তার কর্মক্ষেত্র শুধুই ফল নিয়ে গবেষণা। উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন নতুন ফলের সাথে দেশের মানুষের মেলবন্ধন রচনা করার পরিকল্পনায় কাজ করছেন তিনি। এছাড়া তিনি পর পর দু’বছর দুইটি মনোমুগ্ধকর ও সফল পুষ্প প্রদর্শনী নাটোরে করেছেন। নাটোরের সাধারণ মানুষদের মনের খোরাক জোগানোর পাশাপাশি বড়াইগ্রাম উপজেলার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন মুগ ডাল চাষে কৃষকদের ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করেন তিনি। মুগ ডাল শুধু ফলনই দেয় না, নাইট্রোজেনের প্রবাহ বাড়িয়ে মাটির উর্বরতা শক্তি বাড়ায় বহুগুণে- এমন বাস্তবতার প্রমাণ পেয়ে নাটোরের কৃষকদের কাছে মুগ ডাল চাষ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
কর্মপ্রিয় এস এম কামরুজ্জামান ঈদের দিনে তার কর্মক্ষেত্রে মাতৃলংগান গাছে ২৫টি কলম বেঁধেছেন। থাইল্যান্ডের বৃহৎ বাণিজ্যিক ও জনপ্রিয় ফল লংগান নিয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত ফলন দেয়া লংগান এদেশে আপেল কুলের মতোই জনপ্রিয় হবে। থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মায়ানমার শ্রীলংকা থেকে নিয়ে এসে ফুল ও ফল দেয়াতে সফলতা পাওয়া ১৪টি জাতের ২০টি গাছে গুচ্ছ লংগান শোভা পাচ্ছে। একটির সাথে অন্যটির স্বাদে-গন্ধের ভিন্নতা খুব সহজেই বোঝা যায়। ২০০৪ সাল থেকে লংগান নিয়ে এই উদ্যানে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে।
বনসাই করা সুস্বাদু জাম, ব্যানানা ম্যাঙ্গো, তাইওয়ানের কাঁচামিঠা আম, চৈতি, রাজবৈশাখী ইত্যাদি ফলন শেষ হয়ে গেলেও দেশের বিলুপ্ত প্রায় আমের রানী গৌরমতি গাছের আম পাকবে সেপ্টেম্বরে। উদ্যানে নজর কাড়ছে বাহারি ড্রাগন ফল। অ্যান্টি অক্সিডেন্টের অসাধারণ উৎস ড্রাগন শরীরের চর্বি ও কোলেস্টেরল কমানোর পাশাপাশি অ্যান্টি এসিডিটি হিসেবে কাজ করে বলে জানান এস এম কামরুজ্জামান। ইতোমধ্যে দেশের মানুষের কাছে পরিচিতি পাওয়া অপার সম্ভাবনাময় এবং অনন্য গুণের ড্রাগণের ফলন জাত ভেদে জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া যায়।
উদ্যানের শোভা বর্ধন করছে ভিয়েতনামের বাতাবি লেবু, থাইল্যান্ডের জামরুল, মালয়েশিয়ার কামরাঙ্গা, ভারতের ডালিম, অস্ট্রেলিয়ার শরিফা, ভিয়েতনামের সবেদা আর বনসাই করা মাত্র দুই বছরে ফলন দিতে সক্ষম সিয়াম ব্লু ও সিয়াম গ্রীন নারকেল গাছ।
মচমচে সুস্বাদু ভিয়েতনামের কাঁঠাল সম্পর্কে এস এম কামরুজ্জামান বলেন, আঠা মুক্ত এই কাঁঠালের আদ্রতাটুকু শোষণ করেই পুষ্টিমান অক্ষুন্ন রেখে চিপস্ তৈরি করা সম্ভব। কাঁঠাল বিচির উচ্চ পুষ্টি মানের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিদেশে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
সমতল ভূমির এসব ফলের বাজার তৈরির পাশাপাশি এস এম কামরুজ্জামান রাম্বুটান ও পারসিমন ফল নিয়ে কাজ শুরু করেছেন।
সমতল ভূমির গবেষণা ছাড়িয়ে তিনি পাহাড়ি ভূমিতে ইটালি ও ভিয়েতনামের মাল্টা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার পীচ এবং শ্রীলংকার কিউই ও ট্রপিক্যাল আপেল নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। দেশের মাটিতে চাষের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করা টক আতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ক্যান্সারের প্রতিষেধক এই ফলটি ভবিষ্যতের ফল হিসেবে বিবেচিত হবে।
ফল চাষে
বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে সারা বিশ্বে একর প্রতি ফলের ফলন বৃদ্ধিতে
বাংলাদেশ প্রথম স্থানে অবস্থান করছে। নতুন নতুন ফল উদ্ভাবন ও বাজারজাত করতে
পারলে দেশের মানুষের রকমারি স্বাদের সাথে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি পুষ্টি ও
বিভিন্ন খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে রোগ মুক্ত জীবনের অধিকারী হতে পারবেন বলে
সচেতন মানুষ মনে করছেন। তারা মনে করেন, এস এম কামরুজ্জামানের মেধাকে কাজে
লাগাতে পারলে দেশ উপকৃত হবে।এস এম কামরুজ্জামান বলেন, ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও বৈচিত্রময়। সরকারি পর্যায়ে দেশের সমতল, পাহাড়ি এবং উপকূলীয় এলাকায় পৃথক পৃথক ফল উৎপাদনের সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া হলে বাংলাদেশ খুব সহজেই ফল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ স্থান দখল করতে সক্ষম হবে।
উদ্যান উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণকারী কৃষিবিদ এস এম কামরুজ্জামান নাটোর শহরের ফুলবাগান এলাকায় দুই একর জমির ওপর গড়ে তুলেছেন মডার্ন হর্টিকালচার সেন্টার। তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যান তত্ত্ববিদ ও কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরির অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এস এম কামরুজ্জামান ফুল, ফল ও শস্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন।
বর্তমানে তার কর্মক্ষেত্র শুধুই ফল নিয়ে গবেষণা। উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন নতুন ফলের সাথে দেশের মানুষের মেলবন্ধন রচনা করার পরিকল্পনায় কাজ করছেন তিনি। এছাড়া তিনি পর পর দু’বছর দুইটি মনোমুগ্ধকর ও সফল পুষ্প প্রদর্শনী নাটোরে করেছেন। নাটোরের সাধারণ মানুষদের মনের খোরাক জোগানোর পাশাপাশি বড়াইগ্রাম উপজেলার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন মুগ ডাল চাষে কৃষকদের ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করেন তিনি। মুগ ডাল শুধু ফলনই দেয় না, নাইট্রোজেনের প্রবাহ বাড়িয়ে মাটির উর্বরতা শক্তি বাড়ায় বহুগুণে- এমন বাস্তবতার প্রমাণ পেয়ে নাটোরের কৃষকদের কাছে মুগ ডাল চাষ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
কর্মপ্রিয় এস এম কামরুজ্জামান ঈদের দিনে তার কর্মক্ষেত্রে মাতৃলংগান গাছে ২৫টি কলম বেঁধেছেন। থাইল্যান্ডের বৃহৎ বাণিজ্যিক ও জনপ্রিয় ফল লংগান নিয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত ফলন দেয়া লংগান এদেশে আপেল কুলের মতোই জনপ্রিয় হবে। থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মায়ানমার শ্রীলংকা থেকে নিয়ে এসে ফুল ও ফল দেয়াতে সফলতা পাওয়া ১৪টি জাতের ২০টি গাছে গুচ্ছ লংগান শোভা পাচ্ছে। একটির সাথে অন্যটির স্বাদে-গন্ধের ভিন্নতা খুব সহজেই বোঝা যায়। ২০০৪ সাল থেকে লংগান নিয়ে এই উদ্যানে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে।
বনসাই করা সুস্বাদু জাম, ব্যানানা ম্যাঙ্গো, তাইওয়ানের কাঁচামিঠা আম, চৈতি, রাজবৈশাখী ইত্যাদি ফলন শেষ হয়ে গেলেও দেশের বিলুপ্ত প্রায় আমের রানী গৌরমতি গাছের আম পাকবে সেপ্টেম্বরে। উদ্যানে নজর কাড়ছে বাহারি ড্রাগন ফল। অ্যান্টি অক্সিডেন্টের অসাধারণ উৎস ড্রাগন শরীরের চর্বি ও কোলেস্টেরল কমানোর পাশাপাশি অ্যান্টি এসিডিটি হিসেবে কাজ করে বলে জানান এস এম কামরুজ্জামান। ইতোমধ্যে দেশের মানুষের কাছে পরিচিতি পাওয়া অপার সম্ভাবনাময় এবং অনন্য গুণের ড্রাগণের ফলন জাত ভেদে জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া যায়।
উদ্যানের শোভা বর্ধন করছে ভিয়েতনামের বাতাবি লেবু, থাইল্যান্ডের জামরুল, মালয়েশিয়ার কামরাঙ্গা, ভারতের ডালিম, অস্ট্রেলিয়ার শরিফা, ভিয়েতনামের সবেদা আর বনসাই করা মাত্র দুই বছরে ফলন দিতে সক্ষম সিয়াম ব্লু ও সিয়াম গ্রীন নারকেল গাছ।
মচমচে সুস্বাদু ভিয়েতনামের কাঁঠাল সম্পর্কে এস এম কামরুজ্জামান বলেন, আঠা মুক্ত এই কাঁঠালের আদ্রতাটুকু শোষণ করেই পুষ্টিমান অক্ষুন্ন রেখে চিপস্ তৈরি করা সম্ভব। কাঁঠাল বিচির উচ্চ পুষ্টি মানের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিদেশে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
সমতল ভূমির এসব ফলের বাজার তৈরির পাশাপাশি এস এম কামরুজ্জামান রাম্বুটান ও পারসিমন ফল নিয়ে কাজ শুরু করেছেন।
সমতল ভূমির গবেষণা ছাড়িয়ে তিনি পাহাড়ি ভূমিতে ইটালি ও ভিয়েতনামের মাল্টা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার পীচ এবং শ্রীলংকার কিউই ও ট্রপিক্যাল আপেল নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। দেশের মাটিতে চাষের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করা টক আতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ক্যান্সারের প্রতিষেধক এই ফলটি ভবিষ্যতের ফল হিসেবে বিবেচিত হবে।



No comments:
Post a Comment