মন্তব্য ( ১২৩ )
ছাএলীগ, শাহজাহান আর
শামিম
ওসমান
থাকতে
চাকুরিপ্রার্থী ভোটারদের নিয়ে
চিন্তা
কেন
বুঝলাম
না।
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে
নির্বাচন হলে
শংকার
কারণ
ছিল।
যেহেতু
'সংবিধান' অনুযায়ী নির্বাচন হবে,
সেহেতু
চিন্তার কিছু
নাই।
নাকে
তেল
দিয়ে
ঘুমান।
Next
election will be just power sharing theatre; so it doesn't matter if this
government loses votes of youngs.
এগুলো হিসাব
করে
লাভ
কী?
ভোট
তো
হবে
৫ই
জানুয়ারির মত
এতো চিন্তা
করার
কী
আছে?
এখন
তো
ভোটাররা ভোট
না
দিলেও
ব্যালট
বাক্স
ভূতেরা
এসে
ভরে
দিয়ে
যায়।
হেলমেট পার্টি
বাদে
নতুন
প্রজন্মের একটাও
ভোট
আওয়ামিলিগ পাবেনা।
ভোট হলেই
না
ভোটারের মন
জয়ের
চিন্তা
আসবে
।
আঃলিগের চিন্তাভাবনা এখন
কিভাবে
ভোট
না
করেই
নির্বাচনে জিতা
যায়
।
এই দিন
দিন
নয়
আরো
দিন
আছে!!!
এটি খুব
গুরুত্বপূর্ণ। অবহেলা
করা
ঠিক
হবে
না।
... স্কুল
কলেজ
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ
ছাত্রছাত্রীদের মনে
সরকারের প্রতি
ক্ষোভ
বিদ্যমান।
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স
বাড়িয়ে
৩৫
বছর
করতে
সংসদীয়
স্থায়ী
কমিটির
সুপারিশ কার্যকর করা
হোক।
Oh....!Bangldesh
awami league will need my vote...I forgot it.
শুধু নিশ্চয়তা দেন
যে
ভোটটা
সুষ্ঠু
হবে।
দেখেন
আওয়ামী
লীগ
কেমনে
হারে!!
এ প্রজন্ম ৭২-৭৫ এর দুঃশাসন দেখেনি,এখন তারা হাড়ে
হাড়ে
উপলব্ধি করতে
পারছে!
রাজাকারের সন্তান
ছাড়া
এমন
মন্তব্য অসম্ভব।
২০০১-০৬
এর
দুঃশাসন এ
প্রজন্মের অনেকেই
দেখেছে। নির্বাচনের পর
বাংলাদেশ প্রথম
পৃথিবীতে চিহ্নিত হয়েছিল
ভয়ঙ্কর
মৌলবাদী দেশ
হিসেবে। তলিয়ে
গিয়েছিল ঘোর
অমাবস্যায় জোট
সরকারের মদদে।
খালেদা-তারেক
জিয়ার
দুঃশাসন দেখছি
তাই
বিএনপি
জামাতের শাসন
বাংলার
মাটিতে
আর
কোণ
দিন
হবেনা।
শুধু শিক্ষার্থী না
তাদের
সাথে
রয়েছে
বাবা
মা
ভাইবোন
ও
তাই
দ্রুত
শিক্ষার্থীদের দাবি
মেনে
নিন।কোটা সংস্কার করুন
দেখবেন
সবাই
আপনাদের পক্ষে
আসবে
নয়ত
তাদের
ভোট
গুলা
হারাবেন ক্ষমতাও হারাতে
হতে
পারে
।
যদি জনগণ
পছন্দের প্রার্থীকে ভোট
দেয়ার
সুযোগ
পায়,
তাহলে
তরুণ
ভোটারদের ভোট
পাবে
না।
৫
এখনও সময়
আছে।১.
নৌমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে
বলূন।
২.গ্রহণযোগ্য কোটা সংস্কার প্রজ্ঞাপন দ্রুত
করুন।৩.
তৈলবাজ
মন্ত্রীদের চুপ
থাকতে
বলুন।
সময় আর
নাই
রে
পাগলা,
তাছাড়া
এ
ক্ষত
শুকাবার নয়।
আওয়ামী লীগ
তরুন
বা
প্রবীণ
কোন
ভোটের
জন্যই
চিন্তিত বলে
মনে
হয়
না
।
সম্ভবত
ছাত্রলীগ, যুবলীগ,
পুলিশ
ও
প্রশাসন এর
উপরই
তাদের
ভরসা
।
বুঝতে বেশি
দেরী
হয়ে
গেল
না?
যদিও
আপনারা
তো
ভোটের
ধার
ধারেন
না।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থিরা আর
কোনদিনই একাত্তরের ঘাতক
বা
ঘাতকদের যারা
পূর্নবাসন করেছে
তাদের
ভোট
দিবে
না।
সুতারাং নুতন
ভোটার
নিয়ে
এই
ধরনের
প্রতিবেদন প্রকাশ
করে
লাভ
নাই।
এসব কথা
কি
নিজেরা
বলে
নিজেদের সান্ত্বনা দিচ্ছেন?? স্কুল
কলেজের
সকল
ছাত্র
ছাত্রীদের অভিভাবকদের ভোট
ও
হারালেন। আছে
খালি
পুলিশ
আর
ছাত্রলিগের ভোট।
আরে ভাই,
তারা
সরকার
বিরোধী
আর
বিএনপি
জামাতের পক্ষে
না
লিখলে
যে
তাদের....
হজম
হবেনা!
যারা তথকথিত
কোটা
ও
নিরাপদ
সড়ক
আন্দোলন (২য়
দিন
থেকে)
শিক্ষার্থি নামে
যারা
আন্দোলন করেছে
তারা
সবাই
বিএনপি-জামাত-শিবিরের কর্মি
ছিল।
যখনই
সাধারন
ছাত্র-ছাত্রীরা এই আন্দোলনে স্বাধিনতা বিরোধিদের সম্পৃক্ত দেখেছে,
তখনই
তারা
রাস্তা
থেকে
সরে
গিয়েছিল।
তাই???
ভুয়া রিপোর্ট ! ভোট
হবে
স্বাধীনতার পক্কের
আর
বিপক্কের মধ্যে
! আওয়ামীলীগ আর
বিএনপির মধ্যে,
উন্নয়নের পক্কে
এবং
পেট্টোল বোমা
দূর্নীতির বিপক্কে| শিক্কার্থীরা নিজের
জন্য
আন্দোলন করেছে,
সরকার
বিরোধী
আন্দোলন নয়
| যারা
সরকারের ঘোষণার
পরও
আন্দোলনে ছিল
তারা
এমনিতেই সরকার
বিরোধী,
তারা
এমনিতেই সরকারকে ভোট
দিবে
না
| আর
বামরা
আওয়ামীলীগ না
থাকলে
যে
শিবির
তাদের
পিঠের
চামড়া
রাখবে
না
তারা
ভালোই
জানে,
তাদের
ভোট
আওয়ামীলীগের বাক্স
এই
যাবে
|
আর কতকাল
ঘুমিয়ে
থাকবেন
ভাই?
সামনে
খবর
আছে।
শতভাগ একমত
আপনার
সাথে।
এদেশে
বিএনপি
জামাতের ভোট
নাই
হয়ে
গিয়েছে।
বাবা অাপনি
কি
দেশে
থাকেন,
গায়ের
জোরে
কথা
বলে
যাবেন,
বিনা
ভোটে
জিতেও
যেতে
পারেন,
কিন্তু
অাওয়ামীলীগকে যদি
ভালোবাসেন মানুষের পালসটা
অন্তত
বুঝিয়েন, কই
নেমে
গেছে
অবস্থান।
যদি ভোট
দেয়ার
সুযোগ
পাওয়া
যায়,
এমন
সুযোগ
ছাড়া
উচিত
হবে
না
| পে-ব্যাক টাইম
চিন্তার কোনো
কারণ
নাই,
এবারেও
ভোট
দেয়ার
সুযোগ
তাদের
হবে
বলে
মনে
হয়না।
expecting
vote from students?? just forget it
প্পত্রিকা ওয়ালারা এমন
ভাবে
বলছে
যে
আসলেই
নির্বাচন হবে।
ভাই
নির্বাচন হবে
তবে
সে
ব্যালট
বকক্স
লীগের
তৈরি
করা
বক্স
যেখানে
সীল
সব
নৌকায়
মারা
থাকবে।
সাধারন জনগনের
ভোটেই
কি
নির্বাচন হয়?
ইস্...! আহারে...!!
ভোট
কি
আর
এখন
ভোটারে
দেয়
AL and SL
can do that to these young children!!!!!!!!!!! What a country we got.
Do they
expect vote? So sad news for Al!
ভোট দিব
না
I will
cast my vote to AL
সাধারণত আওয়ামী
লীগের
যারা
ভোটার
তাঁরা
আওয়ামী
লীগকেই
ভোট
দেন।
Those days are over! আমি
নিজে
লীগের
বড়
সাপোর্টার কিন্তু
ভোটার
নিবন্ধন করলে
আওয়ামী
লীগ
কে
ভোট
দিতাম
না।
যা
শুরু
করছে
এরা।
মনে
হয়,,
না-ভোট দিতাম ( কারণ
বিএনপি
কে
ভোট
দেয়ার
প্রশ্নই আসে
না)
অথবা
কাকুকে
দিতাম।
কিন্তু
কাকুর
তো
হাত-পা বাধা।
একটাই উপায়
দেখি
উপশমের। ছবি
আর
ফুটেজে
দেখে
চিহ্নিত ছাত্রলীগ কর্মীদেরকে আদালতে
সোপর্দ
করলে,
যথাসম্ভব দ্রুত
শাস্তি
দিলে।
মানুষ
তার
সাথে
হওয়া
অন্যায়ের বিচার
দেখতে
চায়।
Yes, yes
& yes
হয়তো ভোট
পাওয়ার
জন্য
আ:লীগ ছাত্রদের লোভনীয়
অফার
দিতে
পারে
প্রথমত ভোট
কি
তাদের
প্রয়োজন আছে
আদৌ?
দ্বিতীয়ত আমার
মত
ভোটার
যে
অন্য
দলকে
ভোট
দিলেও
মানুষ
বলবে
আওয়ামীলীগে ভোট
দিয়েছে
এ
ধরনের
সমর্থক
হয়েও
যখন
আওয়ামীলীগের উপর
প্রচণ্ড বিরক্ত
তখন
বুঝতে
বাকি
থাকে
না
দেশে
ভোট
হলে
তরুণরা
কি
করবে।
"অবশ্য আওয়ামী লীগের
সভাপতিমণ্ডলীর এক
নেতা
প্রথম
আলোকে
বলেন,
সাধারণত আওয়ামী
লীগের
যারা
ভোটার
তাঁরা
আওয়ামী
লীগকেই
ভোট
দেন।"
এটিও
ভুল
প্রমাণিত হবে।
অনেক
আলীগ
লোকের
উল্টো
সুর
রাস্তা
ঘাটে
শুনি।
Don't
worry what happened in Malaysian election the same result is going to be happen
in BD, wait N see.
এনজিও কর্মীদের ভোট
নিয়েও
সংশয়
রয়েছে।
সরকারী
কর্মচারী ও
কর্মকর্তাদের বেতন
হু
হু
করে
বাড়িয়ে
দিয়েছে
সরকার
সঙ্গে
বিভিন্ন সুযোগ
সুবিধা। ফলশ্রুতিতে বাজার
দর
বেড়ে
দাড়িয়েছে দ্বিগুন। কিন্তু
এনজিও
কর্মীদের প্রতি
তেমন
কোন
নজর
সরকার
দেয়নি।
ঠিকই
এনজিও
কর্মীরা সরকারের সাফল্যে অবদান
রেখে
চলেছে
তবে
সুযোগ
সুবিধা
প্রাপ্তির বেলায়
শুধুই
সরকারী
কর্মচারি কর্মকর্তা। বর্তমানে এনজিও
কার্যক্রম ও
দাতা
সংস্থার অর্থ
বরাদ্দ
কমে
গিয়েছে। নিজের
পরিবার
বাঁচাতে এনজিও
কর্মীরাও নিজেদের পথ
বেছে
নেবে।
ছাত্র জনতা
খেপিয়ে নিজের
লেজে
কামর
দেয়ার
মত
অবস্থা
হয়ে
গেছে
আপনাদের
মেনন সাহেব
তখন
সরকারকে এই
উপদেশ
দেননি
কেন?
ডাকসুর
সাবেক
ভিপি
হিসেবে
ছাত্র
নির্যাতনের বিরুদ্ধে তার
তীব্র
প্রতিবাদ করা
উচিত
ছিল,সরকার তার কথা
না
শুনলে
পদত্যাগ করা
উচিত
ছিল!
আপনারা তুমুল
জনপ্রিয় দুইটি
আন্দোরন নির্মমভাবে দমন
করার
কারণে
তরুণসমাজের থেকে
ভোট
খুবই
কম
পাবেন।
তবে
সুখবরও
আছে।
আপনাদের ভোটই
লাগবেনা। ২০১৪
এর
মত
বিনাভোটেই আপনারা
সরকার
গঠন
করবেন।
আমার মনে
হয়
হয়রানীর স্বীকার কোন
ছাত্রের বাবা
বা
মা
তার
পরিবারের কেহ
আর
অনতঃ
জামাত
বিএনপি
না
হলেও
বাকশালীদের ভোট
দেবে
।
নিশ্চয়ই গ্রেনেড হামলাকারীদেরও ভোট
দিবে
না।
যে দল
জনগণকে
নিয়ে
চিন্তা
করে
সে
তাদের
ভোট
পাবে
কিনা
সে
দলই
জনগণের
বন্ধু।
কারণ
জনগণের
প্রত্যাশা মিটিয়ে
তাদের
কাছে
টানাই
রাজনৈতিক দলগুলোর নীতি
হওয়া
উচিৎ।
এতে
দেশ
, জনসাধারণ ও
দল
-সকলেই
উপকৃত
হয়।
আমরা
আশা
করবো
আওয়ামীলীগ এই
তরুণ
ভোটারদের ব্যাপারে সঠিক
ব্যবস্থা গ্রহণ
করবে।
আর ভালো
থাকতে
দিলেন
কই?
তেলে
পিছলায়
এখনো
গড়াগড়ি
খাইতেসি।
Does their
vote or any others vote matter under present circumstances?
‘এবারের নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা তাঁদের
ভোট
দেবেন
তো?’
প্রশ্নটা বরং
এভাবে
করা
যায়,
এবারের
নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা তাঁদের
ভোট
দিতে
পারবেন
তো?
দুশ্চিন্তার কোনোই
কারণ
নাই,
ভোটার
দিন
তো
হেলমেট
পরা
নিষেধ
না।
স্কুলের নকল
ইউনিফর্মও পড়া
যাবে
না।
তানভীর আহমেদ:
একা
গলাবাজী করে
যাচ্ছেন, আন্দালিব ভাই,
প্রবাল
ভাই,
মোফাজজল ভাই,
সাইদযোদ্ধাভাই, রূপম
ভাই,
শিপন
মোজাম্বিক ভাইদের
ব্যাকআপ নিন,
প্লিজ।
I used to
support awami league, but this time I will vote neither AL nor BNP. Reasons
behind my decision are mayhem caused by chatra league in every peaceful
protest, namely student quota reform protest.
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে
এই
ভোটগুলো ব্যবধান তৈরী
করবে।
আর
যদি
তারা
মনে
করে
ভোট
যাকেই
দিক
পাশ
আমরাই
করবো
তবেতো
কোন
কথা
থাকতে
পারেনা।
They do
not need any student voters. They have police, Rab, B G.B and student leage to
fill illegal votes in the voter box to pass election. Does any body understand
in this situation in bangladesh? They want to stay in power all life long, it
does not matter how many life wiil be gone for any price. Why I do not see any
commentsf for this message?
The
assessment is wrong, if 50k student/job seeker each seat then the vote is not
50k but 50x3= 150K, as they have influence to their parents and other family
members( brothers/sisters), this can destroy any ‘ survey data’. If any
acceptable candidate with good image( any party or indipandent candidate), AL
will test it !
এই লেখাটার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে আওয়ামী
লীগের
বিরুদ্ধে উষ্কে
দেয়ার
প্রচেষ্টা করা
হয়েছে
কিন্তু
এতো
সহজ
নয়!
শিক্ষার্থীদের ভেতর
ছদ্মবেশী জামায়ত-বিএনপি সমর্থক যেমন
ছিল,
তেমনি
আওয়ামী
লীগ
সমর্থকও ছিল।
'শিক্ষার্থী' নাম
দিয়ে
জামায়ত-বিএনপি এবং তাদের
সমর্থক
মিডিয়া
পুরো
গ্রুপকে নিজেদের পক্ষে
টানতে
চাইলেও
ভোটের
সময়
যে
যার
জায়গায়
চলে
যাবে।
আওয়ামী
পরিবারের ছেলে-মেয়ে জামায়ত-বিএনপিকে ভোট
দিতে
পারে
না।
উস্কে দেবার
প্রচেষ্টার কি
আছে
! কোটা
ও
স্কুল
চিলড্রেন দের
যৌক্তিক আন্দলোন কে
পুলিশ
ও
গুন্ডা
দিয়ে
যে
নোংরা
ভাবে
দমন
করেছে
তার
পর
ও
কোন
লজ্জাতে ভোট
আশা
করে
!! জনগণের
ভোট
না
লাগলে
অন্য
কথা
অবশ্য আওয়ামী
লীগের
সভাপতিমণ্ডলীর এক
নেতা
প্রথম
আলোকে
বলেন,
সাধারণত আওয়ামী
লীগের
যাঁরা
ভোটার
তাঁরা
আওয়ামী
লীগকেই
ভোট
দেন।
This is not true this time, I’m looking any acceptable candidate for vote other
than AL. Previously I always voat for AL and support AL. After kota and safe
road move, NO MORE.
For
verifying your comment, you should open your identify; otherwise you are
supporter of BNP-Jamat trying to misguide Awami Legue supporters.
আজকে বিসিএসএর প্রজ্ঞাপন হলো,
কোটা
সম্পর্কে কিছু
নাই।
তাহলে
সরকার
কী
আসলেই
চিন্তিত?
ছাত্রদের ভোট
আওয়ামী
লীগের
লাগবে
না,
আর
ছাত্রদের ভোট
দিতেও
হবে
না,
ভোট
দেয়া
এবং
নেয়া
দেখবেন
ছাত্রলীগই সব
করবে।
রাজাকারদেরও ভোট
দিবো
না
কোন সমস্যা
নেই
কারণ
১০
বছর
যাবত
ভোট
দেওয়ার
কোন
প্রয়োজন হয়নি।
আর
আগামীতে ভোট
দিতে
পারব
কিনা
........?
গ্রেনেড হামলাকারীদেরও ভোট
দিবো
না।
খাম্বা মামুনদেরও ভোট
দিবো
না।
খবরে প্রকাশ:
বিদ্যুৎবিভ্রাটে সংসদ
অধিবেশন মুলতবি
.......আপনার
বাসায়
বুঝি
লোড
শেডিং
হয়
না!
সরকার ভোট
পাবে
২
শ্রেণির মানুষের। পুলিশ
এবং
ছাত্রলীগ।
Md Ruhul
Amin. Did you read Ist comment in this message. Awami leage will not need your
vote.
শেখ হাসিনার বিকল্প
যারা
কামাল
হোসেন
কে
ভাবেন,
তাদের
বলি,
১৯৮৩
সালে
যে
ঔষধে
কাজ
হয়
নাই,
২০১৮
তে
কেমনে
হবে???
ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারনে
দেশটাকে কেউ
রক্ত
নদীতে
ভাসাবে
না।
শুভ
কামনা
শেখ
হাসিনার জন্য
শুধু দুই
থেকে
থেকে
কোটি
তরুণ
বা
ছাত্ররাই না,
এদেশের
অনেক
সাধারণ
মানুষ,
বুদ্ধিজীবী ও
সাংবাদিক যারা
আওয়ামীলীগের সমর্থক
তারাও
ভোট
দিবে
না
কারণ
সবাই
অজানা
আতঙ্কে
বন্দি
তাই
এরাও
হাঁফ
ছেড়ে
বাঁচার
জন্য
সুযোগের অপেক্ষায় আছে।
সরকারের অনেক
ভালো
ভালো
অর্জন
রয়েছে।
.. কিন্তু
পরিতাপের বিষয়
কিছু
স্পর্শকাতর বিষয়ে
সরকারের নির্লিপ্ততা বা
কোন
সিদ্ধান্তে না
পৌঁছা,
কিছু
মন্ত্রী-এমপিদের দায়সারা উক্তি-কথাবার্তা আর সবকিছুতে ছাত্রলীগের বেপরোয়া মনোভাব
ইত্যাদি বিষয়গুলো জনসাধারণের কাছে
সরকারের অর্জন
গুলোকে
গুম
করে
দিয়েছে। তাই
তাড়াতাড়ি বড়
কোন
কিছু
করে
দেখাতে
না
পারলে
১৪-দলীয় জোটেকে ঠিকই
পস্তাতে হবে।
আদৌ কি
প্রকৃত
ভোট
হবে?নাকি আবারও ৫ই
জানুয়ারি দেখব
আমরা?
আর
আওয়ামী
লীগরা
কোন
মুখে
ছাত্রদের থেকে
ভোট
এর
আশা
করে?
আঃলিগ আর
বিএনপি
উভয়ের
দেশ
দুঃশাসনে এদেশের
অধিকাংশ মানুশ
দিশেহারা। আমারা
তরুণেরা নুতুন
নেতা
নতুন
দল
চাই
।
আমাদের
একজন
অন্ততঃ
একজন
কেজরিওয়াল বা
ইমরান
খান
বা
মমতা
বন্দপাধ্যায়ের মত
নেতা
চাই
।
আমাদের
নেতা
এমন
কেউ
হবেন
যিনি
আবেগ
এবং
প্রতিহিংসা মুক্ত
হয়ে
দেশ
চালাবেন।
দুটো কাজ
করলে
আওয়ামিলীগের পক্ষে
গণ
জোয়ার
আসবে
-১)
সরকারের শেষ
সময়ে
আবারো
একবার
সরকারী
চাকরীজীবিদের বেতন
ভাতা
বাড়ানো
যেতে
পারে।
২)
সকল
সরকারী
চাকরীর
নিয়োগ
পরীক্ষার লিখিত
(বিসিএস
সহ)
পরীক্ষার ফলাফলে
সকলকে
পাশ
করানো
যেতে
পারে
আর
ভাইভা
পরীক্ষা আওয়ামিলীগ সরকার
গঠনের
পর
হবে।আর
প্রতিপাদ্য বিষয়
হবে,
একটি
যুবক
, একটি
সরকারী
চাকরী।
সরকার তো
গঠিত
হবে
জনগনের
সমর্থন
নিয়ে
ভোটারের ভোটে
নয়।
সত্যিই কি
আওয়ামীলীগ প্রকৃত
ভোটের
ভাবনা
ভাবে?
মুখে
জনগণকে
উর্ধ্বাসনে বসালেও
বাস্তবে একটা
কাজও
কি
তারা
জনগণের
দাবী
মেনে
করেছে-যে দু একটা
করেছে
তা
উপায়
না
পেয়ে।
দেশের
সাধারণ
ভোটারের ভোট
প্রদানের সংস্কৃতি আওয়ামীলীগ ভালোই
জানে,
তাই
সাধারণের ভোট
নিয়ে
তাদের
ভাবনা
দৃশ্যমান নয়।
যদি জনগণ
পছন্দের প্রার্থীকে ভোট
দেয়ার
সুযোগ
পায়,
তাহলে
তরুণ
ভোটারদের ভোট
পাবে
না।
এটি
খুব
গুরুত্বপূর্ণ, হেলমেট
পার্টি
বাদে
নতুন
প্রজন্মের ভোট
আওয়ামিলিগ পাবেনা
।
অবহেলা
করা
ঠিক
হবে
না,
স্কুল
কলেজ
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ
ছাত্রছাত্রীদের মনে
সরকারের প্রতি
ক্ষোভ
বিদ্যমান।
They are
waiting to reply. But our Govt. don't need vote to be elected.
ইলেকশনে পাস
করিতে
ভোট
লাগিবে
কেন?
দেশের
সবাই
তো
আ্ওয়ামীলীগ করে।বিএনপি তো
বিরোধী
দল
হইবারর্ও যোগ্যতা রাখে
না।
তাহা
হইলে
, তরুনগন
কি
চাচ্চুকে ভোট
দিয়া
দিবে?
এত
বড়
ষড়যন্ত্র!!! তাহাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা
হউক।
It was
really nice and democratic to elect once AL and another time BNP by free and
fair elections. For free and fair elections Bangladesh should have a non
political government for the national elections always. It is the only right
way for the peolpe of Bangladesh.
ভোটার হবার
পর
থেকে
তো
ভোট
দিতে
পারলাম
না।
এইবার
কি
আমার
ভোট
দিতে
পারবো?
নাকি
হয়ে
যাবে
?
ছোট বেলায়
দেখতাম
ভোটের
দিন
উৎসব
মুখর
একটা
দিন
থাকতো
আর
এখন
কেমন
আতঙ্কের দিন।
দেশ
সত্যি
বদলে
গিয়েসে।
নিরাপদ নির্বাচন চাই।
"এই ক্ষত আগামী
নির্বাচনে বড়
ধরনের
প্রভাব
ফেলতে
পারে"------------
টোটকা
ঔষধে
ক্ষত
উপশম
না
হলে
ভোটার
বিহীন
নির্বাচন বা
হাতুড়ি
বাহিনী
দ্বারা
ভোটের
বাক্স
আগে
ভাগে
ভর্তি
করিয়ে
নিলেও
চলবে।
আওয়ামিলিগের ক্ষমতায় আসা
তাদের
জন্য
জরুরী
কোটা বাতিল
না
করা
হলে
'না'
ভোট
হবে
এবার।
অন্ততপক্ষে আমি
'না'
ভোট
দিবো।
Job
Incumbent and Student will vote AL, because they know only AL change Bangladesh
in a positive way.
হ... কইসে
তুমারে!!!!!
ভোট
দিতে
পারলে
তো!!!!!.....
:-O
রাগে দুঃখে
বা
ভুল
বুঝে
আওয়ামী
লীগের
বদলে
বিএনপিকে ভোট
দিলে
কি
দেশ
নিরাপদ
সড়ক
আর
কোটা
সংস্কারের সমস্যা
সমাধান
হয়ে
যাবে?
বিএনপির অতিত
শাসন
কি
তা
বলে?
হ্যাঁ
তাদের
যদি
আত্মহত্যা করার
শখ
জাগে
তবে
তাই
হোক।
বিএনপি জামাত
কে
কে
ভোট
দিবে
? মানুষ
মুক্তি
চায়
, বিকল্প
কিছু
, আওমিলিগ/বিএনপি
রসগোল্লা তো
বার
বার
খাইছে
আর
পস্তাইছে !
আওয়ামীলীগের ভোট
নিয়ে
বিএনপি
ও
প্রথম
আলোর
এত
চিন্তা
কেন?
প্রথমআলোকে বলি
দেশ
এতটা
এগিয়েছে, তা
নিয়ে
আপনাদের কলম
লেখকদের কিছু
লিখতে
বলুন।
ড.ইউনুচ সাহেবরা পদ্মাসেতুর পথ
বন্ধ
করেছিল
কিন্তু
পারে
নাই।
আপনারা
পশ্চিমাদের দালালী
করবেন
না।
দেশ
এগিয়ে
যাচ্ছে,
আবশ্যই
যাবে
।
২০০১-০৬
এর
দুঃশাসন এ
প্রজন্মের অনেকেই
দেখেছে। নির্বাচনের পর
বাংলাদেশ প্রথম
পৃথিবীতে চিহ্নিত হয়েছিল
ভয়ঙ্কর
মৌলবাদী দেশ
হিসেবে। তলিয়ে
গিয়েছিল ঘোর
অমাবস্যায় জোট
সরকারের মদদে।
আর এখন
আমরা
হানাদার বাহিনীর হাতে
বন্ধী
।
রাজপথে ছেড়ে
যারা
অনলাইনে রাজনীতি করে,
তাদের
মন্তব্য বেশি
পাওয়া
যায়,
ভোট
নয়।
হাওয়া ভবন
দেশকে
ধ্বংস
করেছে!!
আর
আওয়ামী
লীগ
দেশ
কোথায়
নিয়েছে
তা
জেনে
জনগণকে
আগামী
নির্বাচনে ভোট
দিতে
হবে।
ভোটারদের ভোটের
প্রয়োজনীয়তা আছে?
অবাধ সুষ্ঠ
নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে
আশংকা
তো
বরাবরই
ছিল
এবং
আছে.
যে
প্রক্রিয়ায় আগামী
নির্বাচন হচ্ছে
শিক্ষার্থী-চাকরিপ্রত্যাশীদের হতাশ
দরকার
নেই.
ভোট
না
দিতে
পারলেও
সমস্যা
নেই.
আমার
ভোট
আমি
দেবো
(আওয়ামী
লীগ)
তোমাদের ভোটও
আমরা
দেবো
(আওয়ামী
লীগ)
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে
নির্বাচন হলে
শংকার
কারণ
ছিল।
যেহেতু
'সংবিধান' অনুযায়ী নির্বাচন হবে,
সেহেতু
চিন্তার কিছু
নাই।
নাকে
তেল
দিয়ে
ঘুমান।
ভোট দিতে
পারলে
এসব
বিশ্লেষণের মূল্য
আছে।
ভোট
দিতে
পারব
বলে
মনে
হয়
না
হুম।।। খুব
চিন্তার বিষয়।।।
আমি বেসরকারি এমপিও
শিক্ষক
১৪
বছর
চাকরি।
আমাদের
কোন
টাইমস্কেল ও
ইনক্রিমেন্ট কিছুই
না।
১৪
বছর
ার
১৪
দিন
বয়সের
চাকরিতে বেতন
সমান।
ভোটের আবার
ভয়
কী!
তাদের
হেলমেট
বাহিনী
আছে
না?
শুধু দুই
থেকে
তিন
কোটি
তরুণ
বা
ছাত্ররাই না,
এদেশের
অনেক
সাধারণ
মানুষ,
বুদ্ধিজীবী ও
সাংবাদিক যারা
আওয়ামীলীগের সমর্থক
তারাও
ভোট
দিবে
না
কারণ
সবাই
অজানা
আতঙ্কে
বন্দি
তাই
এরাও
হাঁফ
ছেড়ে
বাঁচার
জন্য
সুযোগের অপেক্ষায় আছে।
কোন বিএনপি
রাজাকারের সন্তানদের ভোট
আমাদের
লাগবে
না।
দেশের
উন্নয়নে যাদের
হিংসা
হয়
তারাই
এই
সরকারের সমালোচনা করে।
সামনে
নির্বাচনে আমরা
ক্ষমতায় আসবো
এবং
তা
জনগণের
ভোটেই।
ফালতু নিউজ।
যেখানে
মানুষের ভোটেরই
অধিকার
নাই
।
এতদিন পরে
তাদের
মাথায়
আসলো
এটা?
তাও
ভালো
মাথায়
এসেছে।
ভেবেছিলাম তারা
শুধু
ছাত্রলীগ নিয়েই
আছে।
সব
ভোট
ছাত্রলীগের থেকেই
পাওয়ার
আশা
করছিল
হয়তো৷
কিন্তু
ভালো
করে
খুজে
দেখবেন
কোনো
ভার্সিটির মাত্র
৫-১০% ছেলে মেয়ে
রাজনীতি করে৷
বেশির
ভাগই
সাধারন
শিক্ষার্থী। তো
তাদের
আন্দোলনে যেভাবে
ছাত্রলীগ রিঅ্যাকশন দেখিয়েছে তাতে
তাদের
ভোট
আর
ফিরে
পাবেন
কিনা
সেটা
আসলেই
সন্দেহের। একজন
আওয়ামী
লীগ
সাপোর্টার হিসেবে
বলছি,
নিজের
দলের
পায়ে
যেভাবে
কুড়াল
আপনারা
মেরেছেন তাতে
এত
উন্নয়নেও কাজ
হবে
বলে
মনে
হয়
না৷
শুধু
ছাত্ররা নয়,
তাদের
ক্ষমতা
আছে
নিজের
পরিবারের সবাইকে
মোটিভেট করার৷
এটাও
মাথায়
রাখার
অনুরোধ
থাকলো৷
তাও
শেষ
পর্যন্ত যে
ভেবেছেন এটাই
অনেক।
দেখেন
কিছু
করতে
পারেন
কিনা।
আবার
করতে
গিয়ে
এমন
কিছু
করে
ফেলেন
না
যাতে
আবার
সব
ধবংস
হয়ে
যায়৷
বিদেশের মানুষকে ভুগোল
বোঝাতে
পারবেন
কিন্তু
দেশের
মানুষকে না
তার
উপর
তারা
যদি
হয়
শিক্ষিত ছাত্র!
সমস্যার তো
কিছুই
দেখি
না।
কারন
আওয়ামীলীগের তো
আর
জনগনের
ভোটের
দরকার
হয়
না।
স্বয়ং
প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনাই বলেছেন,
আওয়ামীলীগ ভোটের
রাজনীতি করে
না।
সেটা
অবশ্য
আমরা
সম্প্রতিক হয়ে
যাওয়া
সিটি
কর্পোরেশনের নির্বাচনেই দেখেছি
কিভাবে
আওয়ামীলীগের ক্যাডাররা ব্যালট
বাক্স
ভরেছে
পুলিশের ছত্র
ছায়ায়।
অাওয়ামীলীগ ভোট
নিয়েও
চিন্তাও করে
! ভাল
খারাপ
বাদ
দিলাম
কোন
নির্বাচন মুখী
দল
জনদাবীকে এভাবে
এড়ায়
নাহ।
জনগন
এর
মতামতের বিন্দুমাত্র গ্রহনযোগ্যতা নেই,
জায়গায়
গড়ে
উঠছে
ছোট,মাঝারী, বড় সিন্ডিককেট।
এবারের নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা তাঁদের
ভোট
দেবেন
তো?
কারোরই
ভোট
দেয়া
লাগবে
না।
বিনাভোটেই কিভাবে
সরকার
গঠন
করতে
হয়
এটা
আওয়ামী
লীগ
থেকে
কেউ
আর
ভালো
জানে
না।
ছাত্রলীগই নিজ
দায়িত্বে সবার
ভোট
দিয়ে
দেবে।
কাউকে
ভোট
কেন্দ্রেও যাওয়া
লাগবে
না।
শংকার কোন
কারন
নেই।
"ডিজিটাল আওয়ামী
লীগ"
এর
কোন
ভোট
দরকার
নাই।
এরা
জনগণের
কষ্ট
লাঘবে
নিজেরাই ভোট
ডাকাতি
করে
জনগনের
ভোট
নিজেদের ব্যালটে কাস্ট
করবে।
জনগন
কেন
কষ্ট
করে
ভোট
কেন্দ্রে যাবেন??????
আওয়ামীলীগের পুলিশ
লীগ
এবং
সন্ত্রাসী লীগ
আছে
চিন্থার কোন
কারণ
নাই।
এবারের নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা তাঁদের
ভোট
দেবেন
তো?
কারোরই
ভোট
দেয়া
লাগবে
না।
বিনাভোটেই কিভাবে
সরকার
গঠন
করতে
হয়
এটা
আওয়ামী
লীগ
থেকে
কেউ
আর
ভালো
জানে
না।
ছাত্রলীগই নিজ
দায়িত্বে সবার
ভোট
দিয়ে
দেবে।
কাউকে
ভোট
কেন্দ্রেও যাওয়া
লাগবে
না।


YOUR POST IS HELPFUL TO US
ReplyDelete